লেখক: আনোয়ার হোসেন রকি
শকুনের ডিমে দিয়েছিল কেউ ‘তা’
তাই তো দেশে ডিম ফুটে বের হল শকুনের বাচ্চা
হিসাব এখন অনেকটাই বাকি
এর মাঝে শকুনের মধ্যেই শুভংকরের ফাঁকি,
বিচার হয়নি তো বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের
হতাহতদের তালিকা কই আছে কে তা জানে
নিহতদের মাঝে গড়মিল হিসাবের পাতা
নব্য শকুনের ইশারাতে জননী তোর বাচা,
রন্ধে রন্ধে শকুন বসেছে ডানা মেলে
মা তোর বাচাদের জন্য স্বপ্ন ছাড়া আর কিবা আছে,
ভেবেছিল তোর বাচারা
স্বপ্ন গুলো হবে সত্যি কথা
পনেরো বছরের যত কালিমাখা
হবে হয়ত তা মুক্তির আরেক স্বাধীনতা,
শকুনের খপ্পরে পড়ে সব গিয়েছে রসাতলে
আছে বেঁচে কেবল দীর্ঘ শ্বাস,
শকুন যেন বলছে ডেকে
এইভাবেই থাকবি তোরা বেঁচে থাক,
তোদের কিসের স্বাধীনতা
যখন তোদের রক্তের ভিতরে মিশ্রিত দাসের প্রথা,
আমার ইচ্ছেতে তোরা নাচবি গাইবি
আমরা ইচ্ছেতেই তোরা খাবি দাবি,
তোদের মাঝে যে বিদ্রোহী সে হবে আমার কবি
লিখবে সে বহু কিছু করবে কাঁচ কচু
তোরা মানবি তাকে নেতা
দিন শেষে জানবি সে আমি শকুনের চ্যালা,
বাংলার জন্ম শেষ করেছিল মীর জাফরেরা
তাই তো আজ আমরা আজ শকুনের প্রজা,
শকুন তৈরি করেছে নানান ফন্দি
তার চকে পুরো বাংলাদেশ বন্দী
জনতার কি দিবে দোষ
এই জনতার অনেক বেশি লোভ,
লোভের তরে তারা শকুনের দাস
আর এমনি করে শকুন করছে দেশের সর্বনাশ।