ঢাকা   ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিংড়ার গণমানুষের আস্থায় ইনসাফ ও সমৃদ্ধির নতুন স্বপ্ন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আর নেই নাটোর-১ আসনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার: গণমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে উঁকি দিচ্ছেন জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নাটোর গড়ার প্রতিশ্রুতিতে ভোটারদের আশ্বস্ত করছেন অধ্যাপক ইউনুস আলী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে ইঞ্জিনিয়ার- মো: আল-আমিন মোল্যা ও মাসুদ রানা সুমনের গভীর শোক চরম অস্থিরতার রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সু-বাতাস গণতন্ত্রের বাতিঘর বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে জামায়াত আমীরের গভীর শোক ও শ্রদ্ধা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উপদেষ্টা নির্বাচিত হলেন খান সেলিম রহমান মাদারীপুরে ‌১,২,৩ আসনে লড়বেন ২৮ প্রার্থী ময়মনসিংহ–১১ আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

ডাক্তার হালিদা হানুম আখতারকে ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্টস ক্লাব এর স্বাধীনতা সম্মাননা- ২০২৫ এ মনোনীত

user.backup@gmail.com
  • প্রকাশিত : শনিবার, মার্চ ২৯, ২০২৫
  • 83 শেয়ার

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ:

 

মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত, নিপীড়িত, ধর্ষিতা বীরাঙ্গনাদের সেবাদানে এবং জনস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানের জন্য ডাক্তার হালিদা হানুম আখতারকে ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্টস ক্লাব এর স্বাধীনতা সম্মাননা- ২০২৫ এ মনোনীত করা হয়েছে।খবর বাপসনিউজ।

ডাক্তার হালিদা হানুম আখতার। তিনি বাংলা একাডেমী ফলোশীপ পুরস্কার ও বেগম রোকেয়া পদক ২০২৩ লাভ করেন। স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পর আমেরিকার জনস হপকিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনস্বাস্থ্য মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্ত প্রজনন স্বাস্থ্য গবেষনা ইনস্টিটিউট’র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ছিলেন। দেশের বৃহত্তম পরিবার পরিকল্পনা সংস্থার মহাপরিচালক ছিলেন। এর আগে ও পরে এই দপ্তরে কোন নারী এতোবড় দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পায়নি। দেশে বিদেশে ডাক্তার হালিদা হানুম আখতার ডাক্তারী বিদ্যায় বহু ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এই মহিয়সী রমনী ১৯৭১ সালে তৎকালীন সরকারের অধীনে আমেরিকায় মেডিসিন সাইন্সে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে গমন করেন। সে সময়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমদের আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। দেশে এসে তিনি মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত,নির্যাতিত, ধর্ষিত বীরাঙ্গনাদের সেবাদানে ব্রত হন।

ধানমন্ডির ৭ নম্বর রোডে ২৬ বি (বর্তমান ঠিকানা) “সাদাবাহার” এর সেবাসদন হাসপাতালে এসব নির্যাতিত নারীদের সেবাদান করেন। টানা চার মাস বীরাঙ্গনাদের কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। তাদের করুণ ও ভীবিষিকাময় কাহিনীর নিরব স্বাক্ষী তিনি। তাদের তৎকালীন জীবনচারিত ও অজনা কথা নিয়ে তিনি লিখেছেন,সম্ভ্রম যোদ্ধা: সেবাসদন ও একজন ডাক্তার হালিদা” নামক ঐতিহাসিক বইটি। বইটির প্রতিটি পরতে পরতে উঠে এসেছে বীরাঙ্গনাদের অকথিত কাহন।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪