ঢাকা   ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিংড়ার গণমানুষের আস্থায় ইনসাফ ও সমৃদ্ধির নতুন স্বপ্ন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আর নেই নাটোর-১ আসনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার: গণমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে উঁকি দিচ্ছেন জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নাটোর গড়ার প্রতিশ্রুতিতে ভোটারদের আশ্বস্ত করছেন অধ্যাপক ইউনুস আলী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে ইঞ্জিনিয়ার- মো: আল-আমিন মোল্যা ও মাসুদ রানা সুমনের গভীর শোক চরম অস্থিরতার রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সু-বাতাস গণতন্ত্রের বাতিঘর বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে জামায়াত আমীরের গভীর শোক ও শ্রদ্ধা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উপদেষ্টা নির্বাচিত হলেন খান সেলিম রহমান মাদারীপুরে ‌১,২,৩ আসনে লড়বেন ২৮ প্রার্থী ময়মনসিংহ–১১ আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

বাজেটে শ্রমিকদের রেশনিং ও আবাসনের ব্যবস্থা থাকতে হবে : এড. মাহবুবুর রহমান ইসমাইল

Mizanur
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, জুন ৩, ২০২৫
  • 75 শেয়ার

মীর  জেসান হোসেন তৃপ্তি,

 

 

বাজেটে শ্রমিকদের রেশনিক ব্যবস্থা চালু দাবিতে, ঢাকা জেলার আশুলিয়ি থানার জিরাবো  রেডিয়েন্টস গার্মেন্টসের সামনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস ফেডারেশনের উদ্যোগে এক পথসভা ও মানববন্ধন সংগঠনের আশুলিয়া শাখার সভাপতি মীর তরিকুল ইসলামের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ৩ জুন মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল। তিনি এ সময় বলেন, বর্তমান বাজেটে শ্রমিকদের জন্য উপযুক্ত নয়। এই বাজেটে শ্রমিকদের রেশন ও আবাসনের বক্তব্য নেই। আমার দাবি এই বাজেটে শ্রমিকদের রেশন ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন বিগত সরকারের দুর্নীতিবাজ শ্রম সচিব শফিকুজ্জামান ও তার স্ত্রীর  এখনো পর্যন্ত বিগত সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। আমরা তার পদত্যাগের দাবি জানাই। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল, তিনি ও সময় বলেন , বর্তমান সরকারকে পোষাক শ্রমিকসহ দেশের খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বাজেটটি হতে হবে শ্রমিক বান্ধব।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, নদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির নেতা  আখতার হোসেন, আব্দুস সাত্তার, টিপু দেওয়ান, আবু মোল্লা, মনসুর আলী প্রমূখ। সবার শেষে একটি মিছিল শিল্প এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন,জাতীয় বাজেট কি দেশের স্বার্থে? যদি হয় তাহলে ৮ কোটি শ্রমিক, তারা কি দেশের নাগরিক নয়? এই হিসেবে জনসংখ্যা দিকের জন শ্রমজীবী শ্রেণি তাদের জন্য পূর্বেকার সরকারগুলের ন্যায় এ সরকারের বাজেট শ্রমিকদের জন্য সম্পূর্ণ হতাশার। ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ৬ শতাধিক শ্রমিক বুকের রক্ত দিয়েছে তারাই বাজেটে অবহেলিত। শ্রমিকরাই দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি, কিন্তু তাদেরকে বাদ দিয়ে এই বাজেট কি কাজে আসবে তা বোধগম্য নয়।

১৯৭২ সাল থেকে বাজেট আকার বেড়েছে হাজার গুণের বেশি, কিন্তু সাধারণ মানুষের আয় ও জীবনমানের উন্নয়ন মেলেনি। ভূমিহীন মানুষের সংখ্যা আজ বিপজ্জনক হারে বাড়ছে, বৈষম্য গরীব ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর ভারসাম্যহীন চাপ সৃষ্টি করছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বপ্ন পূরণে শ্রমিকদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাদের সুবিধা-সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়নি। বিশেষত, শ্রমিকদের জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবির প্রতি দীর্ঘদিন অবহেলা চলতে থাকায় হাজার হাজার শ্রমিক আজও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও শ্রমিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণে পদক্ষেপ নেনি, যা উদ্বেগজনক। আমরা সরকারকে অনুরোধ জানাই, ভবিষ্যত বাজেটে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আলাদা বরাদ্দসহ কার্যকর রেশনিং ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দিতে। ন্যায়বিচার ও সামাজিক নিরাপত্তার পথে এগিয়ে গিয়ে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই দেশের সুষ্ঠু উন্নয়নের প্রাথমিক শর্ত।

শ্রমজীবীদের অবদানকে সঠিক স্বীকৃতি না দিলে জাতীয় উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়ন কঠিন হবে। তাই আমাদের দাবি, আগামী বাজেটে শ্রমিকদের রেশনিং এবং কল্যাণমূলক বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত করা হোক তৎপর ও কার্যকরীভাবে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪