ঢাকা   ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিংড়ার গণমানুষের আস্থায় ইনসাফ ও সমৃদ্ধির নতুন স্বপ্ন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আর নেই নাটোর-১ আসনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার: গণমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে উঁকি দিচ্ছেন জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নাটোর গড়ার প্রতিশ্রুতিতে ভোটারদের আশ্বস্ত করছেন অধ্যাপক ইউনুস আলী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে ইঞ্জিনিয়ার- মো: আল-আমিন মোল্যা ও মাসুদ রানা সুমনের গভীর শোক চরম অস্থিরতার রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সু-বাতাস গণতন্ত্রের বাতিঘর বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে জামায়াত আমীরের গভীর শোক ও শ্রদ্ধা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উপদেষ্টা নির্বাচিত হলেন খান সেলিম রহমান মাদারীপুরে ‌১,২,৩ আসনে লড়বেন ২৮ প্রার্থী ময়মনসিংহ–১১ আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

মহেশপুরে অসহায় মায়ের সন্তান বিক্রির অভিযোগ ॥ ক্লিনিক মালিককে কারাদন্ড, হাসপাতাল সিলগালা ।

user.backup@gmail.com
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২, ২০২৫
  • 109 শেয়ার

উপজেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ, মো: রানা:

 

ঝিনাইদহের মহেশপুরে মোছাঃ সুমাইয়া খাতুন (২৭) নামে এক অসহায় মা নিজের নবজাতক সন্তান বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এই ঘটনায় একটি বেসরকারি হাসপাতাল জড়িত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ক্লিনিক মালিককে কারাদন্ড এবং হাসপাতালটি সাময়িক সিলগালা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছয় মাস আগে স্বামী আলামিন মারা যাওয়ার পর থেকে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন সুমাইয়া। আর্থিক টানাপোড়নের কারণে তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী আনারুলের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা ধার নেন। ঋণের চাপে জর্জরিত হয়ে চাচাতো বোন জান্নাতুলের সহযোগিতায় কুমিল্লার জাহিদ নামে এক ব্যক্তির কাছে নবজাতক বিক্রির পথ বেছে নেন তিনি।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিজারের মাধ্যমে বিকাল ৩টায় মহেশপুরের পিয়ারলেস প্রাইভেট হাসপাতালে নবজাতকের জন্ম হয়। সিজারের পর সন্তান বিক্রির ঘটনা ঘটে এবং কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১ অক্টোবর রাত ১টার দিকে কুমিল্লা থেকে আসা ক্রেতা নবজাতকটি নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, কোনো প্রকার আদালতের অনুমোদন বা এ্যাফিডেভিট ছাড়াই শিশুটি নগদ ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী রাবিয়া খাতুন বলেন, “অসহায় মানুষটার পাশে কেউ নেই। ৪মাস গর্ভাবস্থায় স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে একা কষ্ট করে বেঁচে আছেন তিনি। এই অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়েছে একটি চক্র। ”হাসপাতালের মালিক সেলিম রেজা বাবু এ বিষয়ে দাবি করেন, “সিজারের পর রোগীর দেখাশোনা ছাড়া আমার কিছু করার নেই।

রোগী যদি কারও সাথে আপস করে সন্তান দিয়ে দেয়, তার দায় আমার নয়।” তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। শিশু বিক্রির অপরাধে হাসপাতালের মালিক সেলিম রেজা বাবুকে ভ্রাম্যমান আদালত ছয় মাসের কারাদন্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদন্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হাসপাতালের আয়া ইসমত আরাকে পুলিশের নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪