মতুয়াদের তীর্থভূমি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দির ঠাকুরবাড়িতে শুরু হয়েছে স্নানোৎসব ও মহা বারুণী মেলা।
Daily Mukti Samachar - দৈনিক মুক্তি সমাচার: মার্চ ২৮, ২০২৫
বুধবার (২৬ মার্চ) রাত ১১টা ১ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২৬ মিনিট পর্যন্ত চলবে স্নানোৎসব।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ভক্তের সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে এ বছরের মতুয়া ভক্তদের উপস্থিতি। উৎসবকে শান্তিপূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দেশ বিদেশের লাখো মানুষের পথ গিয়ে মিশেছে সমাজের দলিত নিপীড়িত মানুষের মুক্তির দূত শ্রী শ্রী হরিচাদ ঠাকুরের বাড়ি তীর্থভূমি ওড়াকান্দিতে। জয়ডঙ্কা আর বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে ও লাল নিশান উড়িয়ে হরিবল হরিবল ধ্বনিতে চারিদিক প্রকম্পিত করে পাপমুক্তি আর পূণ্যলাভের আশায় ছুটে চলেছেন ভক্তরা।
এ উৎসবকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ঠাকুরবাড়ি এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সেনাবাহিনী ও সাদা পোশাকের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। রয়েছে প্রায় ৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও। স্নানোৎসবকে ঘিরে ঠাকুর বাড়ির পাশ ঘেঁষে বসেছে বারুণী মেলা।
(২১৪ )বছর আগে মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশ তিথিতে কলির অবতার শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব ঘটে। ছোটবেলা থেকেই হরিচাঁদের অলৌকিকত্ব ও লীলার জন্য তিনি বিখ্যাত হয়ে উঠেন। প্রচার করেন গার্হস্থ্য ধর্ম। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে তার নাম। তার ভক্ত বা অনুসারীদের বলা হয় মতুয়া। তারা বিশ্বাস করেন পবিত্র এ তিথিতে ঠাকুরবাড়ির কামনা সাগর ও শান্তি সাগর নামের পুকরে স্নান করলে সকল মানুষের মনোবাসনা পূর্ণ হয়।
বারুণী স্নান ও মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুব্রত ঠাকুর হিল্টু বলেন, এ বছর উৎসবে সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া সকল ধরনের ব্যবস্থায় আমরা খুবই সন্তুষ্ট। এ বছর অন্যান্য বারের তুলনায় অনেক ভক্তের আগমন ঘটেছে। ধারণা কারা হয় এ স্নানোৎসবে বিশ লাখে র বেশি ভক্ত আসবে।
যোগাযোগ: ইস্টার্ন হাউজিং (আলুবদী রোড), পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

