সিলেট বাসি আতঙ্কে কখন আবার চলে আসে লোকমান
Daily Mukti Samachar - দৈনিক মুক্তি সমাচার: অক্টোবর ৩১, ২০২৫
স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আব্দুল মোতালেব হোসেন সিলেট।
লোকমন মানে অন্ধকার রাতের এক চাঁদাবাজের গল্প , কেউ কি জানতো ফুটপাতের লোকমমান একদিন সিলেট বাসীর আতঙ্ক হয়ে উঠবে? লোকমান কুমিল্লা চাঁদপুরের ছেলে জীবিকার সন্ধানে সিলেটে পাড়ি জমায় সে খুব দুরন্দর প্রকৃতির লোক। প্রথমে ফুটপাতে ব্যবসা শুরু করে পরে সে সিলেট শহরের পুরো ফুটপাত নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় এবং কিছু চোর ছিন্তাইকারী সন্ত্রাসীদের তার দলে ভিড়ায় এবং বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির কিছু আওয়ামী দুষ্কৃতিকারী পুলিশ সদস্যের সাথে হাত মিলায় তাদেরকে টাকার লোভ দেখিয়ে তার চাঁদাবাজীর দলে সদস্য করে।
পরে ধীরে ধীরে তার অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে ফুটপাত থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসা, জুয়ার বোর্ড পরিচালনা, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এক কথায় সিলেট শহরের সকল অপকর্ম সে তার নিজ দায়িত্বে পরিচালনা করত।
এরেই মাঝে ২০০৯ সালে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় চলে আসে তখন থেকে তার আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয় নাই, কারন তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা আগে থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, তখন আওয়ামী সিন্ডিকেটের সদস্যরা ও দুষ্কৃতিকারী পুলিশ সদস্যরা মিলে লোকমানকে সিলেট শহরকে রাম রাজ্য বানাতে সকল ধরনের সহয়াতা করেছে।
চাঁদাবাজীর টাকা তিন ভাগে ভাগ হত এক ভাগ যাইতো দুষ্কৃতিকারী কিছু পুলিশ সদস্যের পকেটে আর এক ভাগ যেত আওয়ামী যুবলীগ ছাত্রলীগ সিন্ডিকেটের পকেটে আর এক অংশ লোকমান নিত । এ সকল চাঁদা বাজীর মধ্যে ছিল, যেসকল হোটেল অনৈতিক ব্যবসায় জড়িত ছিল, যারা তীর জুয়া ব্যবসা পরিচালনা করত, যারা মাদক ব্যবসা করতো, যারা ফুটপাতে ব্যবসা করতো এরা সবাই লোকমানকে চাঁদা দিতে বাধ্য থাকতো, চাঁদা না দিলে নানান ধরনের হয়রানির স্বীকার করা হতো।
আওয়ামিলীগে শেষ সময় সে ছাএ লীগ, যুব লীগের দুষ্কৃতিকারীদের সাথে মিলেমিশে রাতের অন্ধকারে ভারতীয় বুঙ্গার অবৈধ মালামাল সিলেট শহরে ঢুকানোর দায়িত্ব নেয় এবং প্রতিরাতে সিলেট শহরে ভারতীয় চিনির গাড়ী, জিরার গাড়ী, কসমেটিকের গাড়ী, গরুর গাড়ী সহ সকল ভারতীয় অবৈধ পণ্যের গাড়ী তার মত কিছু আওয়ামী পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দেদারসে চালিয়ে গেছে হটাৎ ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে ছাএ জনতার আন্দোলনে সরকার যখন ক্ষমতায় ছেড়ে পালিয়ে যায়। সে সময় লোকমান ও তার সহযোগীরা গা ঢাকা দেয়। ধীরে ধীরে আবার লোকমান কোন সিকনালে সিলেট শহরে ডুকে থানা ফাঁড়িতে ও ঘুরা ঘুরি করতে দেখা যায়।
কিছু কিছু সংবাদ প্রচারের পরে আবার লোকমান গা ঢাকা দেয়, লোকমান গা ডাকা দিলেও লোকমানের পালিত ৭ থেকে ৮ জনের মোবাইল সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া একটি সংঘবদ্ধ চক্র আছে যারা লোকমানকে আবার পূর্ণবাসন করতে সকল রকম নিরবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। মুলধারা আমরা সাংবাদিক যারা লোকমানের নামে নিউজ প্রচার করছি আমাদের নানান ধরনের লোভ দেখিয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন আমাদের মত সাংবাদিদের বিরুদ্ধে নানান ধরনের ষড়যন্ত্র করছে ।
এ সকল সাংবাদিককরা এখন বলে বেড়ায় লোকমান তো বি এন পি করে। লোকমান নিজেকে পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। লোকমান যে কি পরিমান অবৈধ টাকা পয়সা ইনকাম করেছে যে সে সিলেট শহরে অনেকগুলো বাসা ক্রয় করেছে।
একটি বাসা নং অগ্রণী ১৪৪/৪ লন্ডনী রোড সিলেট।
বাসা বাড়ী নিয়ে বিস্তারিত থাকছে আগামী পর্বে। যোগাযোগ: ইস্টার্ন হাউজিং (আলুবদী রোড), পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

