ঢাকা   ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিংড়ার গণমানুষের আস্থায় ইনসাফ ও সমৃদ্ধির নতুন স্বপ্ন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আর নেই নাটোর-১ আসনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার: গণমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে উঁকি দিচ্ছেন জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নাটোর গড়ার প্রতিশ্রুতিতে ভোটারদের আশ্বস্ত করছেন অধ্যাপক ইউনুস আলী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে ইঞ্জিনিয়ার- মো: আল-আমিন মোল্যা ও মাসুদ রানা সুমনের গভীর শোক চরম অস্থিরতার রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সু-বাতাস গণতন্ত্রের বাতিঘর বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে জামায়াত আমীরের গভীর শোক ও শ্রদ্ধা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উপদেষ্টা নির্বাচিত হলেন খান সেলিম রহমান মাদারীপুরে ‌১,২,৩ আসনে লড়বেন ২৮ প্রার্থী ময়মনসিংহ–১১ আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

স্বামীকে বাঁচাতে কিডনি দিলেন স্ত্রী, সুস্থ হয়ে ‘পরকীয়া’ বান্ধবীর সঙ্গে সংসার করছে সাভারের তারেক ।

user.backup@gmail.com
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩, ২০২৫
  • 149 শেয়ার

নাজমুল হক ইমু, সাভার । 

 

 

মানবিক ভালোবাসার এক নির্মম প্রতিদান— স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন স্ত্রী টুনি আক্তার। কিন্তু সেই ভালোবাসার দাম দিতে হয়েছে অপমান ও বঞ্চনার মাধ্যমে।

ঢাকার সাভারের বাসিন্দা টুনি আক্তার ও তারেক হোসেনের সংসার শুরু হয়েছিল স্বপ্নে ভর করে। জীবনের কঠিন এক পর্যায়ে, কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হন তারেক। মৃত্যুর মুখ থেকে স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে নিজের একটি কিডনি দান করেন স্ত্রী টুনি। সফল অপারেশনের পর সুস্থ হন তারেক। তবে ঘটনার মোড় ঘুরে যায় কিডনি প্রতিস্থাপনের কিছুদিন পরই। অভিযোগ উঠেছে, সুস্থ হওয়ার পরপরই তারেক স্ত্রী টুনিকে বাসা থেকে বের করে দেন এবং গোপনে সম্পর্ক চালিয়ে আসা তার “পরকীয়া” বান্ধবীর সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এই ঘটনাকে ‘মানবতার চরম অবমাননা’ হিসেবে দেখছেন।

স্ট্রং প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টুনি বলেন: “আমি ওর জন্য জীবন বাজি রেখে কিডনি দিয়েছিলাম। অথচ ও আমাকে ঠকিয়ে এখন অন্য মেয়ের সঙ্গে সংসার করছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”

এই ঘটনায় স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীরা আইনি সহায়তা ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। meanwhile, টুনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের চিন্তা করছেন বলে জানা গেছে।

প্রশ্ন উঠেছে—একজন নারীর আত্মত্যাগ কি এভাবেই উপেক্ষিত হবে? ভালোবাসার এই নির্মম পরিণতির বিচার কি সমাজ দিতে পারবে ?

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪