নিশাত ফাতেমা আমি দেখেছি সেই, অনাথ শিশুর আর্তনাদ। যার ভবিষ্যৎ সে নিজেই জানেনা। আমি দেখেছি সেই পথ শিশুর কান্না, যার ঈদে জামা পড়ার ইচ্ছেটি পুরন হয়নি। আমি অনুভব করেছি সেই
কলমে: শামসুন্নাহার সুমা আট বছরের ছোট্ট বোন শিশু আছিয়া বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে হলো ধর্ষিতা। নরপিশাচ দুলাভাই আর তাঁরই বাবা- ভাই বেড়াতে আসা আছিয়াকে করল চির বিদায়। মুখ চেপে
লেখক: ইঞ্জি: মো: আল-আমিন মোল্যা চলে যদি যাইবা এই তুমি কেন এলে আমার চরণে স্বপ্নে দেখি যে- তোমাকে, কেমন করে থাকবো আমি। তোমার মায়া বেঁধে ছিলা রাখবে ধরে বুক-
লেখক: ইঞ্জি: মো: আল-আমিন মোল্যা বসন্তের বাতাস বয়েছে নদী প্রিয় সাথী- তুমি কি পেয়েছো আমি তো তোমার অনুভূতির, তাই তো- পেলাম না বসন্ত । বসন্তের হাওয়া পেয়েছি সেই কত
সুমন আহমদ, বিশেষ প্রতিনিধি: ~শামীম খান~ মন ভালো নেই, তোমার কথাই পরছে মনে, কেন জানি তোমার ছবি দেখছি মুঠুফোনে। এপাশ ওপাশ করে আমার কাটছে বিবস দিন, বুকের গহীন কেবল
সুমন আহমেদ, দোয়ারা বাজার প্রতিনিধি: শামীম খান আমার ভাষা, বাংলা ভাষা নাই তুলনা যার এই আমার মাতৃভাষা ভায়ের উপহার ! যে ভাষায় জ্ঞানী গুনি হইলো শীরমনি যে ভাষায়
লেখক: এম এ সাকিব খন্দকার আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারী, এ এক অমর দিন, এক অমূল্য ইতিহাস, এম এ সাকিব খন্দকার, হৃদয়ে আজও গাঁথা, ভাষা আন্দোলনের চেতনাতে জ্বলে ওঠে
কলমে- মোঃ শহিদুল ইসলাম এম মাসুদ রানা সুমন নামটি সবার জানা, সত্যের পথে চলেন, নেই মিথ্যার টানা। দক্ষ সাংবাদিক, নির্ভীক কলম, মানবসেবায় রাখেন অনন্য দখল। দৈনিক মুক্তি সমাচারের প্রতিষ্ঠাতা
লেখক- ইঞ্জি: মো: আল-আমিন মোল্যা হঠাৎ করে চলে গেলে বলিনি তো কিছু আমায়, নতুন সাজে সেজেছো তুমি আমি দেখেছি দু-চোখে। বধু বেশে চলে গেলে দূরে প্রশ্ন তুলিনি যে আমি-
কলমে__মুক্তা আক্তার সেদিনও এসেছিল বসন্ত- বুকে ছিল ভালোবাসা- অফুরন্ত; তুমি আসবে বলে- এনেছিলাম ফুল- গোলাপ-কদম-কৃষ্ণচূড়া লিখেছিলাম-গান,কবিতা আর ভালোবাসার ছড়া তবুও তুমি এলে না-ভালোবাসা দিলে না…. আজ তুমি জেনে নাও-